ছোট গল্প


Taimoor Mahmud Shomik : নির্জন একটা শহর। নির্জন মানে আক্ষরিক অর্থেই নির্জন। মানুষের চিহ্ন নেই কোথাও। প্রমিলা ভেবে পাচ্ছেনা, আজ শহরের সব মানুষ গেলো কোথায়? বিষয়টার অস্বাভাবিকতা বুঝতে পেরে তার একটু ভয় ভয় করতে লাগলো। ফুটপাত ধরে বেশ কিছুদূর হেঁটে আসবার পর তার মনে হলো, শহরটা নির্জনের চেয়ে বেশি জনশূন্য। প্রাইভেট কার, পাবলিক বাস, রিকশা সবই আছে। থেমে আছে এবং সেগুলোতে কোন মানুষ নাই।
কাকগুলো বিভ্রান্ত। তারা শহরের অস্বাভাবিকতা টের পাচ্ছে। মানুষ নাই বলে শহরটা নোংরা হচ্ছে কম। খাবারের ঘাটতি টের পেতে হয়তো তাদের আরো দুই তিনদিন লেগে যাবে। কিন্তু তারা ভাবছে প্রতিবেশী নিয়ে। একসাথে এতোগুলো মানুষ গেলো কই? গায়ের রঙ কালো হলেও কাকেরা ব্ল্যাক ম্যাজিক বিশ্বাস করেনা। যুক্তি মেলাতে না পেরে তারা একে অন্যের দিকে তাকিয়ে কা কা করে বিচ্ছিন্ন শোক প্রকাশ করতে লাগলো।
প্রমিলাকে দেখে একসাথে শহরের সবগুলো কাকের কলিজায় জল ফিরে এলো যেন ! কিন্তু প্রমিলা তাদের ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে না পেরে ফুটপাত ধরে দৌড়াতে থাকলো। তারই বা দোষ কি ! একসাথে এতোগুলো কাক কর্কশ আওয়াজ করতে করতে ধাওয়া করলে বোধশক্তিসম্পন্ন যেকোন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষই চিন্তা করবার শক্তি হারিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের দিকে নিজেকে নিয়ে যাবার চেষ্টা করবে।
প্রমিলা ছুটতে ছুটতে আবিষ্কার করলো আর কিছুদূর সামনে গেলেই নদীর পাড়। নদীর জল স্বচ্ছ এবং নীল। ঘাটে নৌকা বাঁধা আছে। অবধারিতভাবেই নৌকাতে কোন মাঝি নাই। সে দ্বিতীয়বার চিন্তা না করে নৌকাতে উঠে বসে। বৈঠা হাতে তুলে নেয়। কাকগুলো হাজারে হাজারে উড়ে এসেছে তাকে ধাওয়া করে। কিন্তু একটা নির্দিষ্ট সীমার পর আর কেউ আসবার সাহস করছেনা। সেখান থেকেই প্রমিলাকে সমস্বরে তারা ভালোবাসা জানাতে লাগলো। প্রমিলার মনে হলো, এটা নিশ্চয়ই হত্যার হুমকি। হাতের নাগালে পেলেই ছিঁড়েখুঁড়ে খাবে !
নৌকা আগাতে থাকলো চমৎকার। প্রমিলা সাঁতার জানেনা। কথাটা মনে পড়বার পরই সে আবিষ্কার করলো নৌকার মেঝেতে চমৎকার গোল একটা ছিদ্র আছে। সেটা দিয়ে জল ঢুকছে আপন গতিতে। বৈঠা ফেলে দু হাত মোনাজাতের ভঙ্গিতে ধরে সে জল সরাবার কাজে লেগে গেলো। নৌকা ডুবে যাবে নিশ্চিত। নৌকা দখলে জলের গতি দেখে প্রমিলা এবার আর নিজেকে সামলাতে পারলোনা। প্রথমে ফুঁপিয়ে কেঁদে তারপর মা গো… ও মা, আমারে বাঁচাও- কথাটা চিৎকার করে বলবার সাথে সাথে ঘুম ভাঙলো তার।
উফফ… কি বিচ্ছিরি স্বপ্নই না এতক্ষণ দেখছিলো সে। সারা শরীর ঘেমেনেয়ে একাকার। তার চিৎকারে ঘুম ভেঙ্গে গেছে সুবোধের। তাকিয়ে দেখে সুবোধও তার দিকে তাকিয়ে আছে। প্রমিলা আতঙ্কগ্রস্ত চোখে। সুবোধ বিরক্তিমাখা চোখে। মুখে বললো, প্রতি রাতে তোমার কি হয় বলোতো প্রমি? ঘুমের মাঝে চিৎকার করে ওঠো, কেঁদে ওঠো। পরশু মাঝরাতে আমার গালে সজোরে ঘুষি মেরে বসলে। আচ্ছা ইচ্ছা করে করো নাকি এসব ! অমন দুঃস্বপ্ন দেখবার পর সুবোধের এই কথাগুলো অমৃত মনে হচ্ছিলো প্রমিলার কাছে। তার মনে হলো, আহা… পাশে মানুষ থাকবার কি শান্তি ! হোক না সে রসকষহীন ঝগড়াটে ! একাকীত্বের মাঝে বোধহয় সৌন্দর্যের চেয়ে বেশি আছে ভয়াবহতা। সে সুবোধকে নরম গলায় বললো, সরি।
তিন বছরের সংসার। এখনো সন্তানাদি হয়নি বলে নিকটাত্মীয় আর প্রতিবেশীদের কয়েকজনের বেশ মাথাব্যাথা আছে। ইনিয়েবিনিয়ে প্রমিলাকে বলে, ভাবী অনেক তো অপেক্ষা করালেন। আমাদেরকে, অনাগত বাচ্চাটাকেও ! এবার নিষ্পাপ সত্ত্বাটাকে আনুন। এ যেন তথাকথিত শুভাকাঙ্খীর অমোঘ আদেশ ! তাদের অপেক্ষার অবসান করাতে প্রমিলা আর সুবোধ প্রতি রাতে বিছানায় যায় !
সকালে ঘুম থেকে উঠে সুবোধের ব্ল্যাক কফি খাওয়া বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকে বয়ে বেড়ানো অভ্যাস। প্রমিলা এসময় খায় চা। র চা তার মুখে রোচেনা। আচ্ছামতো দুধ চিনি দিয়ে সুস্বাদু বানালে তবেই না চা পাতা উসুল ! ঘুম থেকে উঠবার পর গতরাতে দেখা স্বপ্নটার কথা প্রমিলার মাথায় ঘুরছিলো। কিচেনের জানালা দিয়ে বাইরে তাকিয়ে দেখে শহরের একাংশ। মানুষ গজগিজ করছে রাস্তায়। কাক কয়েকটা দেখতে পেলো ইলেকট্রিক তারে উদাস দৃষ্টি মেলে বসে আছে। কেন যেন কাকগুলোকে দেখে মেজাজ খারাপ হলো প্রমিলার। স্বপ্নে হয়েছে তো কি হয়েছে, কি ভয়টাই না তারা দেখিয়েছিলো তাকে ! ভয়টাতো আর স্বপ্ন নয় !
লুঙ্গী পরেনা সুবোধ। রাতে ঘুমের মাঝে গড়াগড়িতে নাকি লুঙ্গী থাকে খাটের এক কোণায়। সুবোধের ঘুমালে হুঁশ থাকেনা। তাই নিয়ে আবাসিক হলে থাকবার সময় কতো ঠাট্টা করেছে বন্ধুরা। বিয়ের পর পর এক ঘরোয়া আড্ডায় সুবোধের ঘনিষ্ঠ বন্ধু পরিমল এই ঘটনা প্রমিলাকে গম্ভীরমুখে জানায়। শুনে প্রমিলার সে কি হাসি। সদ্য বিবাহিত স্বামীর আদুরে দুর্বলতাগুলো বাঙালি নারীদের চিরাচরিত বিনোদনের উৎস। সুবোধ এরপর প্রমিলার সাথে অযৌক্তিক জেদ করে লুঙ্গী পরেছিলো একদিন কিন্তু পরিস্থিতির তাতে কোন পরিবর্তন ঘটেনি।
সুবোধ কফির কাপ হাতে নিয়ে প্রমিলার দিকে তাকায়। সুবোধের মাথার চুল কমতে শুরু করেছে। প্রমিলা বিষয়টা খেয়াল করে প্রথমদিকে বলেছিলো, হট ওয়েল থেরাপি নাও। নারিকেল তেল গরম করে চুলের গোড়ায় আলতো করে মেখে একঘন্টা সুবোধ ঘোষের গল্পগ্রন্থ পড়বে। তারপর শ্যাম্পু আর কন্ডিশনার দিয়ে যত্ন করে তোমার চুল ধুইয়ে দিবো। দেখে নিবে ম্যাজিক ! বলেই ফিক করে হেসে ফেলেছিলো। গোমড়ামুখো সুবোধ তাতে আরো বিরক্ত হয়ে মাঝে মাঝে যাও চুলে তেল দিতো, সেই যত্নটুকু নেয়াও বন্ধ করে দেয়।
প্রাসঙ্গিক কথা রসিকতার সাথে বলা প্রমিলার পুরানো অভ্যাস। আর সুবোধের অভ্যাস অল্পতে বিরক্ত হওয়া এবং কারণে অকারণে রাগ দেখানো। এই রাগ নিয়েই তিনটা বছর সে প্রমিলার সাথে কাটিয়ে দিলো। প্রমিলা বাবার বাড়ি গেলে সুবোধ রাতে ঘুমাতে পারেনা। তার কষ্ট হয়। দম বন্ধ হয়ে আসে। শিশুর মতো চোখের কোণে জমে জল। তারপর একদিন প্রমিলা বাড়ি ফিরলে সে শুনিয়ে বলে কয়টা দিন বাড়ি ছিলেনা, বেশ শান্তিতে ছিলাম। এখন আবার এসেছো জ্বালাতে ! প্রমিলা শুনে সবজান্তার হাসি হেসে চুপ থাকে।
সুবোধ কফিতে চুমুক দিয়ে বললো, আজ সন্ধ্যায় আমার বন্ধু সাইকিয়াট্রিস্ট জাফর সাদিকের চেম্বারে ঘুরে আসি চলো। প্রমিলা শুনে জিজ্ঞেস করে, কেন কি সমস্যা তোমার? তিন বছর সংসার করেই প্যাচ লেগে গেছে মাথায়? বাকি জীবন তো পড়েই আছে। ইশশ এটা কোন কথা হলো ! আম্মা বিয়ের আগেই আমাকে সাবধান করেছিলো, এই সুবোধ ছেলেটাকে দেখে মনে হয় মাথায় সূক্ষ্ম কোন সমস্যা আছে। কিন্তু আব্বা সেই কথায় সায় দিলো কই ! তুমি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে বড় চাকরি করো শুনে ধেই ধেই করে নাচতে নাচতে মহাসমারোহে বিয়ে দিয়ে দিলো। আর আজ নিজে থেকেই যেতে চাইছো পাগলের ডাক্তারের কাছে !
“শাট আপ” কথাটা যথেষ্ট গলা চড়িয়ে বলে প্রমিলাকে থামাতে হয়। একটানা অসংলগ্ন কথা বলেই যাচ্ছিলো সে। দুঃস্বপ্ন দেখে রাত বিরেতে চিৎকার করে ওঠা ছাড়াও আরো নানা ধরণের সমস্যা দেখা দিয়েছে প্রমিলার। সেদিন অফিস থেকে ফিরে দেখে প্রমিলা স্বাভাবিক মুখে সদর দরজা খুলেছে ঠিকই, কিন্তু তার পরনে কোন জামা নাই। সুবোধ সাথে করে মিস্ত্রী রহিমকে নিয়ে এসেছিলো কয়েকদিন ধরে ডাইনিং রুমে যে ফ্যানের যে রেগুলেটর নষ্ট সেটা ঠিক করাবে বলে। প্রমিলাকে এ অবস্থায় দেখে রহিম কিছুটা সময়ের জন্য চিন্তাশক্তি হারিয়ে অপলক দৃষ্টিতে নারী শরীরের দিকে তাকিয়ে থাকে। তারপর নিজে থেকেই মাথা নিচু করে সিড়ি দিয়ে নেমে যায়।
সুবোধ সেদিন তীব্র রাগ নিয়ে তারপর গায়ে হাত তুলেছিলো প্রমিলার। বিয়ের তিন বছরে সেটাই প্রথম। মার খেয়ে প্রতিবাদ করেনি। শুধু নরম গলায় বারকয়েক বলেছিলো, সরি। বিষয়টা তখন আরো বেশি অস্বাভাবিক লেগেছিলো সুবোধের। এমন নয় যে নিষ্ঠুর পাষন্ড সুবোধ। বরং চশমা পরা ইন্ট্রোভার্ট ধরণের মানুষ, যার মনে যথেষ্ট মায়াদয়া আছে। ছোটবেলায় নানাবাড়িতে গিয়ে শীতলক্ষা নদীর পাড়ে দাঁড়িয়ে একটা মুরগির বাচ্চার গলা ছিঁড়ে মাথা একদিকে আর শরীর আরেকদিকে ফেলে দেয়া ছাড়া বলবার মতো নিষ্ঠুরতা এক জীবনে আর দেখায়নি সে।
প্রমিলার গায়ে হাত তোলার ব্যাপারটা সুবোধের ভেতরে বিচ্ছিরিভাবে প্রভাব বিস্তার করে। অনুশোচনায় অপরাধবোধে কয়েকরাত তারপর ঘুমাতে পারেনি সে। এর মাঝে প্রমিলা বেশ সুস্থ স্বাভাবিক। তারপর এক বিকেলে সুবোধ নাটকীয় ভঙ্গিতে হাঁটু গেঁড়ে প্রমিলাকে সরি বলে। প্রমিলা ভীষণ অবাক হয়ে তৎক্ষণাৎ দু পা পিছিয়ে বলে, ওমা কি হলো আমার সুবোধ বরের? গোধুলিলগনে বিনা টিকিটে অমন মঞ্চ নাটক দেখাচ্ছে কেন আমাকে? সুবোধ গোছানো সুন্দর কথার সাথে তাল না মিলিয়ে কেবল উত্তর দেয়, সেদিন তোমার গায়ে হাত তুলেছিলাম বলে ভেতরটা জ্বলেপুড়ে যাচ্ছে। আমাকে ক্ষমা করো প্রমি।
প্রমিলা কিছু মনে করতে পারেনা। সে যে মার খেয়েছিলো সুবোধের কাছে, সে কথা তার মনে নেই। এমন না যে সে অভিমান করে অমন বলছিলো। তার আসলেই মনে নেই। পরশু রাতের ঘটনাটাই ধরা যাক। ঘুমের মাঝে প্রচন্ড এক ঘুষি লাগায় সে সুবোধের গালে। সুবোধ ঝাঁকি খেয়ে ঘুম থেকে জেগে উঠে বসে। গাল ঘষতে থাকে। প্রমিলা তাকে বলে, সরি ব্রাদার। স্বপ্নে দেখলাম আপনি খারাপ উদ্দেশ্যে আমার গায়ে হাত দিচ্ছেন। তাই কলেজ সময়ে শেখা কারাতের ছলাকলা কাজে লাগিয়ে আপনাকে মৃদু শাসন করলাম। এই কথাগুলো যখন বলছিলো প্রমিলা, তখন তার চেহারায় রসিকতার রেণু লেগে ছিলোনা। সুবোধ চট করে ধরতে পেরেছিলো ব্যাপারটা। আসলেই কোথাও বড় কোন একটা সমস্যা হচ্ছে।
কফিতে শেষ চুমুক দিয়ে শান্তভাবে কাপটা নামিয়ে রাখে সুবোধ। সাইকিয়াট্রিস্ট জাফর সাদিক ফোনে যা শুনেছে তাতে কিছুক্ষণ চুপ থেকে আকুতির গলায় বলেছে, বিষয়টা নিয়ে হেলাফেলা করিস না দোস্ত। যতো দ্রুত সম্ভব ভাবীকে নিয়ে আমার চেম্বারে এসে দেখা করে যা। সুবোধ আজ যাবে কাল যাবে করেও প্রমিলাকে ঘর থেকে বের করতে পারেনি। এমন না যে আজই প্রথম ডাক্তারের কাছে যেতে বলছে সে। একেক সময়ে ডাক্তারের কাছে যাবার কথা শুনে একেক রকম অদ্ভুত আচরণ করেছে প্রমিলা এবং দিনশেষে সেই আচরণগুলোর কথাভুলে গিয়েছে। সুবোধকে সময় সুযোগমতো প্রহসনের প্রসঙ্গ তুলে বিচিত্র অভিজ্ঞতার প্রত্যক্ষ সাক্ষ্মী হতে হয়েছে কেবল।
এসব ভাবতে ভাবতে সুবোধের শরীরটা কেমন যেন লাগতে থাকে। কফিতে যে বিষটা মেশানো হয়েছে সেটা বিদেশী ব্র্যান্ড এর দামী কোন প্রোডাক্ট হবে। একেবারে টেরই পায়নি তখন। অথচ তার ষষ্ঠ ইন্দ্রীয় এখন স্পষ্ট বুঝিয়ে দিচ্ছে, হি ওয়াজ পইজন্ড বাই হিজ বিলাভড ওয়াইফ ! পাকস্থলি থেকে পুরোটা শরীরে শরণার্থী বিচিত্র জারজ এক কষ্ট ছড়াতে থাকে। প্রমিলার দিকে তাকিয়ে দেখে, প্রমিলা মায়ের মমতা দিয়ে গভীর দৃষ্টিতে সুবোধের দিকে তাকিয়ে আছে। ছোটবেলায় না বুঝে একটা মুরগির বাচ্চাকে নিষ্ঠুরভাবে মেরে ফেলেছিলো সুবোধ। সেই বাচ্চাটার জন্য এখন আবারো ভীষণভাবে খারাপ লাগতে থাকে তার। শেষ নিশ্বাস ফেলবার আগে সুবোধ ঘোলাটে চোখে দেখতে পায়, শাড়ি পরা এক নারী অতি দ্রুততার সাথে কোথা থেকে যেন একটা ধারালো ছুরি এনে তার গলার কাছে ধরে রেখেছে।
প্রমিলার সরল এক দিদির মুখে সুবোধ বিয়ের আগে শুনেছিলো, ছোটবেলায় নিকটাত্মীয়ের কাছে শারীরিকভাবে দীর্ঘ একটা সময় নির্যাতিত হয়েছিলো তার বোন। এতিম সুবোধ এই ঘটনা শুনে কম্প্রোমাইজের ধার না ধেরে নিজের নামের সার্থকতা প্রমাণ করে যথার্থই ভালোবেসেছিলো একুশ বছর বয়সী বেতের মতো ছিপছিপে শরীরের সেই আশ্চর্য মায়াবতীকে। ছুরিটা তারপর গলায় ধীরে ধীরে গলায় বসে যাচ্ছিলো। অন্তিম মুহূর্তে কেবল সুবোধ শুনতে পায়, আর কয়েকটা মাস বেঁচে থাকলে একটা সুস্থ স্বাভাবিক সন্তানের বাবা হতে পারতো সে কিন্তু সন্তানের মা পুরুষ জাতিকে ঘৃণা করে ভীষণ !
(গল্প)


Like it? Share with your friends!

0

What's Your Reaction?

লল লল
0
লল
আজাইরা আজাইরা
0
আজাইরা
চায়ের দাওয়াত চায়ের দাওয়াত
0
চায়ের দাওয়াত
জট্টিল মামা জট্টিল জট্টিল মামা জট্টিল
0
জট্টিল মামা জট্টিল
এ কেমন বিচার? এ কেমন বিচার?
0
এ কেমন বিচার?
কস্কি মমিন! কস্কি মমিন!
0
কস্কি মমিন!
কষ্ট পাইছি কষ্ট পাইছি
0
কষ্ট পাইছি
মাইরালা মাইরালা
0
মাইরালা
ভালবাসা নাও ভালবাসা নাও
0
ভালবাসা নাও

Comments 0

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ছোট গল্প

log in

Become a part of our community!

reset password

Back to
log in
Choose A Format
Personality quiz
Series of questions that intends to reveal something about the personality
Trivia quiz
Series of questions with right and wrong answers that intends to check knowledge
Poll
Voting to make decisions or determine opinions
Story
Formatted Text with Embeds and Visuals
List
The Classic Internet Listicles