বিলাইছড়ির বিরলকাব্য


Md Badrul Islam Shawon:

৩রা সেপ্টেম্বর ~ ৬ই সেপ্টেম্বর, ২০১৭ ইং

ফেরার সময় উলুছড়ি আর্মি ক্যাম্পে যখন রিপোর্ট করি তখন একজন আর্মি বললেন – “ভাই আপনারা রাঙামাটির সবথেকে বিপদজনক জায়গা থেকে ঘুরে আসলেন, এদিকে শান্তিবাহিনীর আনাগোনা খুব বেশি।” কথাটা ফেলে দিতে পারলাম না – কারনটা পরে বলছি। তখন উত্তরে আমি তাকে শুধুই বললাম –“ধন্যবাদ ভাই আগে বলেন নাই তাই, না হলে মনে বড্ড ভয় থাকত, আর এনজয় করতে পারতাম না।“

শেষের কিছুটা আগে এই হলেও শেষে আরো ছোট্ট কিন্তু অসাধারন কিছু ব্যাপার ছিলো। শেষটা শেষেই থাক, একটু শুরুতে না গেলেই নয়। খুব বিস্তারিত যাবো না নিজের স্বার্থেই – তবে চুরি করে ছুটি নিয়েছিলাম কোথাও যাবার জন্য। কোথায় তা সত্যি জানতাম না। বাসায় বলেছি বান্দরবন অথবা অন্য যেখানে সুবিধা হয় – বেড়িয়ে গেলাম ব্যাগ নিয়ে। ফকিরাপুল বাস স্ট্যান্ডে গিয়ে প্রতিটি কাউন্টারে গিয়ে বলেছি – ভাই কোথায় যাবার ৩ টা (দিপু ভাই, ফারুক এর আমি) টিকিট আছে বলেন, সেখানেই যাবো। স্টার লাইন কাউন্টারে বসা ২টা মেয়ে তো আমার কথা শুনে হেসেই অস্থির – মনে হয় পাগল ভেবেছিলো। ধুর – যা ভাবে ভাবুক। যাই হোক – শেষমেষ দিপু ভাইয়ের ইচ্ছাই পূরণ হলো, পেয়ে গেলাম কাপ্তাইয়ের টিকিট। কিন্তু ওরে কি পোড়া কপাইল্লা যে আমরা – বাসের শেষ সিটে সিট পেয়েছি। বাস চলা শুরু হলে দিপু ভাই বলতে ছিলো যে আমরা সাজেক যেতে পারতাম – উত্তরে আমি বললাম যে ভাই আমিও ভাবছিলাম কিন্তু আপনি কি মনে করেন তাই বলি নাই। এক বন্ধুর প্রশ্নের জবাবে যখন বলতে পারলাম না যে কোথায় যাচ্ছি – চান্স পেয়ে তার কি ঝাড়ি রে আমায়। তখনও যে জানতাম না যে দারুন এক বিরল অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে যাচ্ছি আমি।

জেমস এর “ঝাকানাকা দেহ দোলা না” গানটা শুনেছি অনেকবার কিন্তু উপলব্ধি করলাম এই প্রথম। বাসের শেষের সিটের সে কি ঝাকুনি রে বাবা। যাই হোক প্রায় ২ঘন্টা দেরী করে গাড়ি ছাড়লেও সকালে পৌঁছে গেলাম ঠিক সময়েই। কাপ্তাই লেকটা বাস থেকে দারুন উপভোগ করছিলাম। বাস থেকে নামার পর ট্রলারে করে যেতে হবে বিলাইছড়ি। ট্রলারে ছাদে ৩টা ছেলে (আবদুল্লাহ ভাই, তপি ভাই আর অন্তু ভাই) আমার বয়সীকে বসে থাকতে দেখলাম, বুঝলাম যে এরাও ঘুরতে এসেছে। কথা বলে জানা গেলো যে তাঁদের গন্তব্যও একই দিকে। হয়ে গেলাম ৩+৩=৬ জনের এক দল। ট্রলার ছাড়ার পরে প্রায় ২ ঘণ্টার উপরে যাত্রা, মাঝে বিলাইছড়ি আর্মি ক্যাম্পে রিপোর্ট করে লঞ্চঘাটে আমরা ৬ জন। নাস্তা করে, রেস্ট হাউজ খুঁজতে খুঁজতে পেলাম বিলাইছড়ি গেস্ট হাউজ। না বললে অপরাধ হবে- দারুন লাগলো রেস্ট হাউজ ও চারিপাশের পরিবেশ। আশেপাশের জায়গাটা যেনো ছবির মতো সুন্দর। ব্যাগ রেখে রওনা দিলাম মুপ্পোছড়া ঝরনার উদ্দেশ্যে আমরা ৬ জন, সাথে নকাটা ঝর্নাও ঘুরে আসবো। তখনও জানতাম না যে দারুন একটা সারপ্রাইজ অপেক্ষা করছে আমার জন্য।

আধাঘণ্টার নৌ-জার্নির পরে ১ ঘন্টার ট্র্যাকিং বা পথ চলার পর পৌছালাম মুপ্পোছড়ায়। সুন্দর এক ছিমছাম ঝর্না। ছবি তোলা আর ঝর্নাগাহন করার সাথে সাথে গান বাজনা তো চললোই। তবে ঝর্নায় শ্যাম্পু দিয়ে গোসল করার মজাই আলাদা। মাঝে মাঝে মনে হয় যেন খালি শ্যাম্পু করার জন্যই ঝর্নায় চলে যাই। হা হা হা। ওখানে থাকতেই জানলাম যে নকাটা ঝর্নাটা নাকি পাহাড় ধ্বসে ভেংগে গেছে। যেহেতু যাবার পথেই, তাই যা আছে তা দেখে যাবারই সিদ্ধান্ত নিয়ে রওনা দিলাম ফেরার পথে। মিনিট দুয়েক হাঁটার পরেই হঠাৎ করে ঘন জঙ্গলের মাঝে বহুল আকাংখিত দু’চোখের দেখা। বিস্তারিত বলার আগে একটু পুরোনো ইতিহাস না ঘাটালেই নয়।

সেই আমার “আত্নসীমানার ওপাড়ে”এর গল্প, যারা পড়েছেন শুধু তারাই বুঝবেন এই অংশটা – বান্দরবনের রোয়াংছড়ি থেকে রনিপাড়া যাবার সময় অনেক মানুষের ভিড়ে এক দম্পতি আমাদের চোখে পড়েছিলো খুব। বিশেষ করে মেয়েটা তো আমাদের পুরো লজ্জাই দিচ্ছিলো এক রকম। আমরা যেখানে বার বার ক্লান্ত হয়ে পরেছিলাম সেখানে মেয়েটা যেনো আমাদের দেখানোর জন্যই তরতর করে হেঁটেই যাচ্ছে পাহাড়ি পথ বেয়ে। তাঁর জামাই পর্যন্ত বলে ফেলেছিলো যে নিজের বউ এর হাঁটা দেখে নাকি সে নিজেরও শক্তি ফিরে পায়। আমরা নাম দিলেছিলাম “পাওয়ার কাপল’ বা “পিসি”। শেষের দিন তিনাপে আমি ওই দম্পতির কিছু ছবি তুলে দিয়েছিলাম। পরিচিত হবার পর আমার কার্ডও দিয়ে এসেছিলাম যেনো ছবিগুলো দেখা করে নিয়ে যায়। বাসা তাঁদের আমার বাসার কাছেই। … যাই হোক গত দুই মাস অনেক বার মনে করেছি তাঁদের, যতবার তাঁদের এলাকার পাশ থেকে গিয়েছি ততবারই মনে পরেছে।এমনকি বিলাইছড়ি গিয়েও সকালে ফারুকের সাথে কথা হচ্ছিলো যে জূটিটার সাথে আর দেখা হলো না আমাদের।

ইতিহাস আর ইতিহাস রইলো না, চলে এলো বাস্তবে। মুপ্পোছড়া থেকে ফেরার পথে মিনিট দুয়েক হাঁটার পরেই হঠাৎ করে ঘন জঙ্গলের মাঝে বহুল আকাংখিত দু’চোখের দেখা – মাথায় লাল হ্যাট পড়া এক পরিচিতা। আমাকে দেখেও হয়তো তাঁর সেই অবাক করা একই অভিব্যাক্তি। একটু পিছনেই জুটিটার বাকি অংশ – সায়রিন ভাবির বর শান্ত ভাই। কে কিভাবে নিবেন জানিনা, কিন্তু আমার জীবনের জন্য এই দেখা হওয়াটা খুব জরুরী ছিলো। বিশ্বাসটা আরো বেড়ে গেলো যে, পৃথিবীটা আসলেই গোল আর চাওয়াটা যদি মন থেকে হয় তাহলে না পাওয়ার কোনো কারণই নেই। অনেকের কাছে কেমন যেনো মনে হতে পারে কিন্তু আমার জন্যে এটাই বিলাইছড়ি থেকে সবথেকে বড় পাওয়া – এটাই আমার জন্য বহুল আকাংখিত এক বিরলকাব্য। ধন্যবাদ – শান্ত ভাই ও সায়রিন ভাবি, অনেক ধন্যবাদ – আমার নিজের বিশ্বাসটা আরো বাড়ানোর জন্য।

ফেরার পথে ভেঙ্গে যাওয়া নকাটা ঝর্না দেখা শেষ করে ভুঁড়ি ভোজ শেষে গেস্ট হাউজে এসে গোসলের লাইন ধরা শুরু। হালকা একটু ঘুম দিয়ে বিলাইছড়ি গেস্ট হাউজের পাশেই এক ব্রিজে সবাই মিলে আড্ডা। তারপর গান গাইতে রাতের খাবারের জন্যে পদব্রজে এগিয়ে চলা। পুরো মহল্লা যেনো আমাদের “সুরেলা” চিৎকারে আন্দোলিত হচ্ছিলো। তখন আমরা ৬ জন থেকে ৮ জনের দলে পরিণত। প্লান – কাল খুব ভোরে ধুপপানির পথ চলা শুরু করতেই হবে যেনো সবার আগে আমরা পৌঁছে ইচ্ছেমতো ছবি তোলা আর মজা করতে পারি।

ঘুমে চোখ ভেঙ্গে পরলেও ঘুমালাম অনেক দেরীতে। গেস্ট হাউজের বারান্দায় বসে দিপু ভাই ও ফারুকের সাথে অনেক কিছু নিয়ে কথা হচ্ছিলো। আসলে আমি আর দিপু ভাই মিলে ফারুককে ওর ভুলগুলো এবং কিভাবে কি করা উচিত তা খোলামেলা আলোচনা হচ্চিলো। দিপু ভাইয়ের একটা কথা আমায় খুব প্রভাবিত করেছিলো, এমনকি এখনো আমার কানে বেজেই চলে সেটা। ঘুমাতে যাবার সময় ফারুককে শুধু একটা কথাই বললাম – “শুনলি তুই কিন্তু শিখলাম আমি”। ধন্যবাদ আবারও – দিপু ভাইকে।

প্রায় ভোর ৫.১০ এ ফোন পেলাম একটা – “ভাই উঠে পরেন, বের হতে হবে’। খুব বিরক্ত হয়ে ভাবছিলাম যে কে? মনে পরে গেলো যে শান্ত ভাই। যাই হোক, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বের হয়ে পরলাম। নাস্তা খেয়ে রওনা দিলাম ধুপপানির পথে। প্রায় ২ ঘন্টা যাত্রা ট্রলারে উলুছড়ির দিকে। ট্রলারে রৌদ্রস্নানটা ভালোই হলো। যতই রোদ থাক, পুরো পথ যেনো ছবির মতো সুন্দর। যাই হোক, উলুছড়িতে নেমে গাইড নিয়ে একটু দামাদামির ঝামেলা করে রওনা দিলাম ধুপপানির দিকে। মিনিট ২০ এর মত ছোট নৌকায় যেয়ে তারপর হাঁটা শুরু।

হাঁটার শুরু করার একটু পরেই এক ধানক্ষেতের মাঝ দিয়ে যাবার সময় “কুক” করে একটা ডাক শুনতে পেলাম। সাথে সাথেই আমাদের গাইডও একই ভাবে ডাক দিলো। ব্যাপারটা তখনও বুঝি নাই। পরে বলছি – যে কখন বুঝেছি। যাই হোক পাহাড়ি গাঁ বেয়ে হেটেই চলেছি আমরা ক’জনা। ধুপপানি মূলত ওখানকার বৌদ্ধ ভিক্ষুদের আবাস স্থল, ঝর্নার উপরের পাহাড়ে যাদের বসবাস। তাই সেখানে হৈচৈ না করাটাই ধর্মের প্রতি সম্মাননা জানানোর সামিল। প্রায় ঘণ্টা দুয়েক হাটার পরে সেই গন্তব্যে আমরা। উফফ – কি বিশাল এক ঝর্না। THE MIGHTY DHUP-PANi। কতটা সুবিশাল আর অনন্য সুন্দরি তা স্বচক্ষে না দেখলে বুঝিয়ে বলা সম্ভব নয়। ঝর্নার নিচে পাহাড়ের পাদদেশে এক গর্তের মত স্থানে বসে যেনো সারাটা জীবন পার করে দেয়া যায়। ধুপপানির সামনে বড় বড় পাথরের উপরে বসে যেনো শুধুই চেয়ে থাকি সুউচ্চ পাহাড় থেকে বিদ্যুতের গতিতে বেয়ে পড়া জলধারার দিকে।

মডেলিং বা ছবি তোলা পর্ব শেষ করে ফেরার রাস্তা শুরু করে দিলাম। আসার সময় ঠিক ওই একই জায়গায় সেই “কুক” করে ডাকের শব্দ ও যথারীতি আমাদের গাইডের উত্তর। একটু খুলে বলি ব্যাপারটা এবার। শুরুতেই যে বলেছিলাম যে আর্মিরা বলেছিলো যে খুব বিপদজনক জায়গা। আসলে ওই “কুক” করে ডাকটা হচ্ছে সংকেত। যদিও এটা পুরোপুরিই আমার ধারনা। আমি যদিও শিওর তবুও মতামত ভিন্ন হতেই পারে। আমার মতে আমাদের গাইড যদি প্রত্যুত্তর না দিতো তাহলে সেখানে বিপদ ঘাড়ে এসেই পরতো। সত্যি বড় বাঁচা বেঁচে গেছি। আলহামদুলিল্লাহ্‌।

রুমে ফিরে খেয়েদেয়ে ঢাকার বাস ধরার তাড়া আমাদের। শেষ বাসই নাকি ছাড়ে সন্ধ্যে ৭.০০। আবার সেই ২.৫ ঘন্টা ইঞ্জিন নৌকা করে পৌছালাম বিলাইছড়ি গেস্টহাউজে। আবারো লাইন ধরে গোসল করে দুপুরের ভোজনের উদ্দ্যেশে আমরা। শান্ত ভাইয়ের ট্রিট। টাটকা মাছ খাবার মজাই আলাদা। খাওয়া শেষে কাপ্তাইয়ের উদ্দ্যশে আবার যাত্রা। প্রায় ৩ ঘণ্টার পথ। নৌকায় বসে কার্ড খেলা খারাপ জমেনি আমাদের। শেষ বিকেলে গোধূলি লগ্নে নৌকার মাথায় শুয়ে শুয়ে উপভোগ করাটা কোনো কিছুর সাথে তুলনা করা যায় না। আপন মনে ভাবছিলাম কতকিছু নিয়ে তা নিজেও জানিনা। খুব কাছের ২-১ জনকে একটা এসএমএস দিলাম – “ঝর্না ও বন্য পাহাড় জয় শেষে ফিরছি আমি প্রচণ্ড বেগে ছুটে চলা নৌকায়, কানে হেডফোন লাগিয়ে, একেবারে নৌকার মাথায় শুয়ে শুয়ে তাকিয়ে আছি আর দেখছি প্রকৃতির সৌন্দর্য, তবুও কিসের যেনো একটা – শূন্যতা।

 

না জানালেই নয় – ওই তিন ভাইরা আগেই বাসের টিকিট কেটে রেখেছিলো। কিন্তু শুধুই যেনো আমরা ৮ জন একসাথে যেতে পারি তাই ওই টিকিট বাতিল করে দিয়েছিলো তারা। আমরা টিকিট পেয়েছি যদিও তা শেষের ৫টা সিট সহ। তপি ভাই, অন্তু ভাই ও আবদুল্লাহ ভাই নিজের আরামের সিট ছেড়ে কষ্ট করে শেষের সিটে আসলো শুধুই আন্তরিকতার খাতিরে। RESPECT TO THREE (3) OF YOU –BROTHERS.

জীবনের প্রতিটি সেকেন্ডই আসলেই অনেক বিরল কারন প্রতিটি সেকেন্ড পরবর্তী সেকেন্ডেই জীবন থেকে চলে যায়। হাজার চেষ্টাতেও তা ফিরিয়ে আনা যায় না। একটু ভাবলেই বোঝা যাবে ব্যাপারটা। আমরা এটা করবো, সেটা করবো – এসব ভাবতে ভাবতেই আমাদের দিনরাত শেষ করে ফেলি। আমরা অপেক্ষা করি কিছু পাবো – সেটা যেভাবেই হোক। কিন্তু ভেবে দেখুন আমরা জীবনে কি অর্জন করতে পারছি? ছোটবেলায় একটা কথা আমি আমার টেবিলের সামনে লিখে রেখেছিলাম । মানুষ যা বিশ্বাস করে তাই সে পায়। কথাটার মাঝে বিশালতা যেমন গভীরতাও তেমন। বিলাইছড়ি আমায় প্রমান করে দিয়েছে সেটা। ওই “পাওয়ার কাপল” কে অনেক খুঁজেছি তাঁদের ছবিগুলো দেবার জন্য। বিশ্বাস ছিলো পাবো, পেয়েছিও। আর বাকি ভাই ব্রাদারদের আন্তরিকতা আর হাসিমুখ আমার পাওয়া জীবনের অন্যতম বিরলকাব্য। অনেকেই হয়তো এই পাওয়াগুলোকে সমাজের আর শব পাওয়ার সাথে মেলাতে পারবেন না, হয়তো ভাববেন কি আজব কথা বলছি। আরে সামাজিক মানুষ – একটু ভাবুন তো মনের গভীর থেকে চাওয়া কয়টি পাওয়া আপনার এমন আচমকা পাওয়া হয়েছে। যাদের খুঁজেছি শহরের অলিগলিতে, পেলাম তাঁদের জঙ্গলের গহীনে। জীবনে কি হবে বা কি পাবো তা ভাবি না। শুধু একটা কথা আমার মনের দেয়ালের প্রতিটি উপাদানের সাথে মিশে আছে – আল্লাহ্‌ যা করেন ভালোর জন্যই করেন  আলহামদুলিল্লাহ্‌।  ওই আগের মতই আবার বলছি ।এটাই আমার বিশ্বাসে ভরা নিশ্বাস।

What's Your Reaction?

লল লল
0
লল
আজাইরা আজাইরা
0
আজাইরা
চায়ের দাওয়াত চায়ের দাওয়াত
0
চায়ের দাওয়াত
জট্টিল মামা জট্টিল জট্টিল মামা জট্টিল
0
জট্টিল মামা জট্টিল
এ কেমন বিচার? এ কেমন বিচার?
0
এ কেমন বিচার?
কস্কি মমিন! কস্কি মমিন!
0
কস্কি মমিন!
কষ্ট পাইছি কষ্ট পাইছি
0
কষ্ট পাইছি
মাইরালা মাইরালা
0
মাইরালা
ভালবাসা নাও ভালবাসা নাও
0
ভালবাসা নাও

Comments 0

Your email address will not be published. Required fields are marked *

বিলাইছড়ির বিরলকাব্য

log in

Become a part of our community!

reset password

Back to
log in
Choose A Format
Personality quiz
Series of questions that intends to reveal something about the personality
Trivia quiz
Series of questions with right and wrong answers that intends to check knowledge
Poll
Voting to make decisions or determine opinions
Story
Formatted Text with Embeds and Visuals
List
The Classic Internet Listicles